ভূমিমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু, এমপি বলেছেন, যোগব্যায়ামের আয়োজন বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের একটি বলিষ্ঠ নিদর্শন। দুই দেশের সম্পর্ক পারস্পরিক আস্থা, বন্ধুত্ব ও ঐতিহ্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
রোববার (২১ জুন) বিকেলে রাজশাহীর আই বাঁধ সংলগ্ন মাঠে ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, যোগব্যায়াম এ অঞ্চলের হাজার বছরের প্রাচীন ঐতিহ্য। নওগাঁর পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের মতো প্রাচীন জ্ঞানকেন্দ্রগুলোতে যোগবিদ্যার চর্চা ছিল। বরেন্দ্র অঞ্চলের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারাবাহিকতায় যোগব্যায়াম বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করেছে।
তিনি বলেন, নিয়মিত যোগব্যায়াম মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ সময় তিনি সবাইকে নিয়মিত যোগচর্চার আহ্বান জানান।
ভূমিমন্ত্রী ভবিষ্যতে নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানসহ প্রতিবেশী দেশগুলোকে নিয়ে এ অঞ্চলে আরও বড় পরিসরে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রাজশাহীতে অবস্থিত ভারতীয় উপদূতাবাসের সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মীর মোঃ শাফিন মাহমুদ এবং অভিনেত্রী সঞ্চিতা রাণী দত্ত।
সভাপতির বক্তব্যে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সভ্যতা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং জীবনধারা একই সূত্রে গাঁথা। যোগব্যায়াম ও আয়ুর্বেদ দুই দেশের প্রাচীন অভিন্ন ঐতিহ্য, যা বর্তমান বিশ্বে সুস্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, যোগব্যায়াম ও আয়ুর্বেদের মতো অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য দুই দেশের জনগণের যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, যোগব্যায়াম অংশগ্রহণকারী, সুধীজন ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
রোববার (২১ জুন) বিকেলে রাজশাহীর আই বাঁধ সংলগ্ন মাঠে ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, যোগব্যায়াম এ অঞ্চলের হাজার বছরের প্রাচীন ঐতিহ্য। নওগাঁর পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের মতো প্রাচীন জ্ঞানকেন্দ্রগুলোতে যোগবিদ্যার চর্চা ছিল। বরেন্দ্র অঞ্চলের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারাবাহিকতায় যোগব্যায়াম বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করেছে।
তিনি বলেন, নিয়মিত যোগব্যায়াম মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ সময় তিনি সবাইকে নিয়মিত যোগচর্চার আহ্বান জানান।
ভূমিমন্ত্রী ভবিষ্যতে নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানসহ প্রতিবেশী দেশগুলোকে নিয়ে এ অঞ্চলে আরও বড় পরিসরে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রাজশাহীতে অবস্থিত ভারতীয় উপদূতাবাসের সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মীর মোঃ শাফিন মাহমুদ এবং অভিনেত্রী সঞ্চিতা রাণী দত্ত।
সভাপতির বক্তব্যে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সভ্যতা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং জীবনধারা একই সূত্রে গাঁথা। যোগব্যায়াম ও আয়ুর্বেদ দুই দেশের প্রাচীন অভিন্ন ঐতিহ্য, যা বর্তমান বিশ্বে সুস্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, যোগব্যায়াম ও আয়ুর্বেদের মতো অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য দুই দেশের জনগণের যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, যোগব্যায়াম অংশগ্রহণকারী, সুধীজন ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :